Saturday, September 30, 2017

ডাবল রেইনফোর্সমেন্ট বীম ডিজাইন

ডাবল রেইনফোর্সমেন্ট বীম ডিজাইন I
......
.
১ম ধাপ:
.
.
সিংলী বীম হিসাবে , চওড়া (b)ও উচ্চতা (h) অনুযায়ী Mu বের করতে হবে। যেখানে রড এর অনুপাত ধরতে হবে কোড অনুযায়ী সর্বোচ্চ যা আসে। মনে ρ = ρmax
Mu = Ø As fy (d - a/2)
a = As fy / 0.85 fc' b

যদি মূল এই Mu প্রয়োজনীয় দরকারী মোমেন্ট থেকে কম হয় তাহলে ডাবলী হিসাবে ডিজাইন করতে হবে।

.
২য় ধাপ:
অতিরিক্ত মোমেন্ট বের করতে হবে-
অতিরিক্ত মোমেন্ট Mu1 = Mu - Mu2

এই অতিরিক্ত মোমেন্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় স্টিল এরিয়া বের করতে হবে , As1 = As এবং ধরে নিতে হবে fs = fy, এইখান থেকে অতিরিক্ত স্টিল As' = Mu1 /Ø fy (d - d' )
.
৩য় ধাপ:
এইবার সমস্ত স্টিল বের করতে হবে , As = As' + As2
.
৪র্থ ধাপ:
চাপ বল এ স্টীল ইয়েল্ডিং হয় কি হয়না। এবং ঐ স্টীল এর একক বল উপর ভিত্তি করে বল এবং মোমেন্ট হিসাব করতে হবে। যদি স্টীল এর চাপ fy থেকে কম হয় তাহলে পুনরায় হিসাব করতে হবে
A's rev f 's= As trial fy
A's rev = As trial fy / fs'

টান রডের জন্য রিভাইজ / পুন:বিবেচনার দরকার নাই। কারণ টান এলাকাতে fy হিসাবে করা হয়।
.
৫ম ধাপ:
সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন রি-ইনফরসমেন্ট অনুপাত ঠিক রাখতে হবে।
.
৬ষ্ঠ ধাপ:
সঠিক বার বা রডের সাইজ নির্বচন করতে হবে।

Friday, September 29, 2017

অটোক্যাড শিখুন ,ক্যারিয়ার গড়ুন । নিজেই হয়ে উঠুন অটোক্যাডের মাস্টার I

অটোক্যাড শিখুন ,ক্যারিয়ার গড়ুন । নিজেই হয়ে উঠুন অটোক্যাডের মাস্টার I

অটোক্যাড এখন প্রকৌশলীদের জন্য অত্যাবশ্যক একটা কাজের সফটওয়্যার।চাকরির বাজারে যেমন কাইসিস তার মধ্যে আবার চাকরি দাতাদের নতুন নতুন চাহিদা তো থাকছেই।আগে ইঞ্জিনিয়ার হলেই চলত,এখন আবার বিভিন্ন কাজে পারদর্শী হতে হয়।তার মাঝে অটোক্যাড এ কাজ জানা অন্যতম।সুধু কাজ জানলেই হবে না এক্সপার্ট হতে হবে।অনেকে আছে সময়ের অভাবে কাজ শিখতে পারে নাই কিংবা অনেকে আবার টাকার জন্য পিছিয়ে পড়েছে অটোক্যাড শেখা থেকে।অটোক্যাড না শিখে চাকরিতে জয়েন করলে বেতন কেমন দেয় তা যারা চাকরি করছে তারাই ভাল জানেন,শুধুমাত্র এই একটি সফটয়্যারে এক্সপার্ট হতে পারলে চাকরির বাজারে আপনি অন্তত একধাপ এগিয়ে থাকবেন।

অটোক্যাড কি?
অটোক্যাড একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন সফটওয়্যার। এটিতে 2D drafting ও 3D modeling সহজে করা যায়।
অটোক্যাড কেন দরকার?
বিশ্বে বর্তমানে বড় বড় বিভিন্ন স্থাপনা বা মেশিনের ডিজাইন কম্পিউটারের মাধ্যমে করা হয় এবং সে অনুযায়ী বানানো হয়। কিন্তু পুর্বে কাগজে এসব ডিজাইন করতে হত, যা ভুল হলে আবার মুছে করাটা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। অটোক্যাড সেটি সহজ করে দিয়েছে। ডিজাইন ও ইন্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে যে কোনো নিখুঁত বিষয় অটোক্যাড 2D ও 3D ব্যবহার করে যাচাই করে নেওয়া হয়, যার ফলে সময়, শ্রম ও অর্থের সাশ্রয় হয়।
অটোক্যাড শিখে আমি কি করতে পারব?
সিভিল, মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল, আর্কিটেকচার এর বিভিন্ন ডিজাইন অটোক্যাড এর মাধ্যমে করা যায়। এ কোর্সটি করার পর আপনি অটোক্যাডের মাধ্যমে যেকোনো বিল্ডিং, ফার্নিচার, ইলেকট্রিক্যাল ড্রইং, মেশিন ইত্যাদির 3Dমডেল আঁকতে সক্ষম হবেন এবং অনুশীলন করলে কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা চলে আসবে।

কাদের জন্য এই কোর্স?
যারা অটোক্যাড শেখার জন্য ভাল কোন ট্রেইনিং সেন্টার পাচ্ছেন না তাদের জন্য CADD Bangladesh নিয়ে এলো অটোক্যাড শেখার দারুন একটি কোর্স “Master of AutoCAD 2D & 3D”।
কোর্সটি আমি কিভাবে করতে পারব?
অটো ক্যাড এর মাধ্যমে
আপনাকে দক্ষ ও ডিজাইন, ড্রয়িং এ পারদর্শী প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে, আমরা আমাদের সুদক্ষ ট্রেনিং প্রাপ্ত প্রকৌশলী এবং প্রফেশনালস দ্বারা আপনার জন্য সম্পূর্ন বাস্তবমুখি প্রশিক্ষন প্রদান করছি এবং প্রশিক্ষনের সাথে শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে সফলতার জন্য সহযোগীতা করে থাকি। যা অবশ্যই আপনাকে দক্ষ ডিজাইন, ড্রয়িং প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে তুলতে আসাধারণ ভূমিকা রাখবে।

রেগুলার ব্যাচের ক্লাশ সপ্তাহে ৩ দিন সন্ধা
শুক্রবার ব্যাচ: জব হোল্ডার দের জন্য ক্লাশ সপ্তাহে একদিন শুধুমাত্র শুক্রবারে, সকাল ৯টা থেকে রাত ৯ টা।

আর সময় নষ্ট না করে সফটওয়্যার টি শিখে নিন আমাদের ক্যাড এক্সপার্ট দের কাছথেকে
এ সম্পর্কে আর ও বিস্তারিত যানতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।

যোগাযোগের জন্য ঠিকানাঃ
বাড়ি # ০৪ রোড # - ০১, সেক্টর # ১০
উত্তরা মডেল টাউন , ঢাকা - ১২৩০
হটলাইন : ০১৬৩০৩৩৩৬৬৬
আল্লাহ হাফেজ।

ইলেকট্রিক্যাল পড়ুয়াদের জন্য কিছু অসাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর I

ইলেকট্রিক্যাল পড়ুয়াদের জন্য কিছু অসাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর I

জেনে রাখা ভাল

১। প্রঃ একটি চোক কয়েলের সহিত সিরিজে বাতি লাগানো হয়েছে, বাতি উজ্জ্বল ভাবে জলে, বাতি ডিম জ্বলে, বাতি জ্বলে না – কি হতে পারে ?
উঃ চোক কয়েল শর্ট, চোক কয়েল কাটা।
২। প্রঃ টিউব লাইট কত ফুট লম্বা ও কত ওয়াটের হয় ?
উ : ৪’ফুট ৪০ ওয়াট এবং ২’ফুট ২০ ওয়াট সাধারনত।
৩। প্রঃ স্টার্টার ছারা টিউব লাইট জ্বালানো যায় কি ?
উঃ হাঁ যায়,পুশ বাটন সুইচ ব্যবহার করে অথবা তারে তারে সংযোগ করেই বিচ্ছিন্ন করে দিতে হয়।
৪। প্রঃ টিউব লাইট এক বার জ্বলে আবার পর মুহুর্ত্তেই নিভে এরূপ করতেছে – দোষ কোথয় ?
উঃ স্টার্টার খারাপ কাজ করতেছে না।

৫। প্রঃ টিউব লাইটের দুই দিক জ্বলে থাকে পূর্ন ভাবে জ্বলে না – কারন কি ?

উঃ টিউবের ভিতর প্রয়োজনীয় গ্যাস নাই, অথবা প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ পাচ্ছেনা, অথবা স্টার্টার সার্কিট ব্রেক করতেছে না অথবা চোক কয়েল দুর্বল হয়েপরেছে।
৬। সুইচ অফ করা সত্বেও হোল্ডারে সাপ্লাই পাত্তয়া যায়।
উ :সুইচ লাইনে ব্যবহার না করে নিউট্রালে ব্যবহার করা হয়েছে।

৭।দুই পিস সকেটের উভয় পিনে টেষ্টার জ্বলে কিন্তু বাতি জ্বলে না।
উ: নিউট্রাল পাচ্ছে না।
৮। বাসার সকল লোড অফে থাকা সত্বেও মিটার ঘুরে।
উ : ওয়্যারিং কোথাও আর্থ পেয়ে গিয়েছে।
৯। কলিং বেলের আওয়াজ খুব বেশী কি ভাবে কমাবে ?
উ : কম পাওয়ারের বাতি কলিং বেলের সাথে সিরেজে ব্যবহার করে।
১০। বাতির কাঁচ ভেঙ্গে গেলে ফিলামেন্ট হতে আর আলো বের হয় না কেন ?
উ: ফিলামেন্ট অক্্িরজেন পায় বিধায় ইহা জ্বলে যায়।
১১। সান্ট ফিল্ডের কয়েল চিকন তারের অধিক প্যাঁচের এবং সিরিজ ফিল্ডের কয়েল মোটা তারের কম প্যাঁচের থাকে কেন ?
উ: কারন সান্ট ফিল্ড পূর্ণ ভোল্টেজ পায় এবং সিরিজ ফিল্ড পূর্ণ লোড কারেন্ট পায়।
১২। একটি ডিসি জেনারেটর পূর্ণ স্পিডে ঘুরতেছে কিন্তু ভোল্টেজ উৎপন্ন হইতেছে না- কারন কি?
উ: (১) ফিল্ডে রেসিডিয়্যাল মেগনেটিজম নেই
(২) জেনারেটর উল্টা ঘুরতেছে
(৩) ফিল্ডের কয়েল ওপেন
(৪) আর্মেচার কয়েল ওপেন
(৫) কার্বন ব্্রাস কম্যুটেটরে সংযোগ নেই।
Please Wait..
Click here to downlaod now...
১৩। একটি ডিসি মোটর উল্টা ঘুরতেছে কি ভাবে ঠিক করেবে?
উ: হয় ইহার ফিল্ডের কানেকশন না হয় আর্মেচারের কানেকশন উল্টাইায়া দিতে হবে।
১৪। স্টার্টার মোটরর্স্টাট দেয়া ছারা আর কি কি কাজ করে?
উ: ইহা ওভার লোডে এবং সাপ্লাই চলে গেলে মোটরকে সোর্স হতে আপনা আপনি বিচ্ছিন্ন করে।
১৫। স্টার্টারের হাতল শেষ প্রান্তে থাকে না।
উ: হোলডিং কোয়েল কাজ করে না, খারাপ।
১৬। একটি ১০ হর্স পাওয়ারের মোটর দ্বারা ১০ হর্স পাওয়ারের জেনারেটর ঘুরিয়ে তাহা হতে ১০ হর্স পাওয়ার জেনারেশন পাওয়া যাবে কি?
উ: না, কারন কখনও ইনপুট আউটপুট সমান হয় না।
১৭। ডায়নামো কি ?
উ: ডিসি জেনারেটরকে ডায়নামো বলে।
১৮। আর্মেচার লোহার তৈরি কিন্তু কম্যুটেটর তামার তৈরির কারন কি ?
উ: কারন আর্মেচার ম্যাগনেটিক ফিল্ডে থাকে আর কম্যুটেটর ম্যাগনেটিক ফিল্ডের বাইরে থাকে।
১৯। কোন প্রকার ওয়্যাইন্ডিং কখন ব্যবহ্নত হয় ?
উ: ল্যাপ ওয়্যাইন্ডিং বেশী কারেন্টের জন্য এবং ওয়েভ ওয়্যাইন্ডিং বেশী ভোল্টেজের জন্য ব্যবহ্নত হয়।
২০। এক ফেজ মোটরের দোষ কি ?
উ: ইহা নিজে নিজে র্স্টাট নিতে পারে না।
২১। তিন ফেজ হতে এক ফেজ নেয়া যায় কি ?
উ: হ্যাঁ, যদি স্টার কানেকশন থাকে, তবে একটি লাইন ও নিউট্রালে এক ফেজ সাপ্লাই পাওয়া যায়।
২২। সিলিং ফ্যানের স্পিড কমে যাওয়ার কারন কি?
উ: পূর্ণ ভোল্টেজ পাচ্ছে না, না হয় ক্যাপাসিটর দুর্বল না হয় বল বিয়ারিং জ্যাম, না হয় কয়েলের ইন্সুলেশন দূর্বল।
২৩। পাখা পূর্ণ বেগে ঘুরা সত্বেও বাতাস পাওয়া যায় না কেন ?
উ: পাখার ব্লেডের বাক কম না হয় পাখার পিছনে প্রয়োজনীয় ফাকা জায়গা নেই।
২৪। পাখা উল্টা ঘুরে গেলে কি ভাবে ঠিক করবে ?
উ: ক্যাপাসিটরের কয়েল কানেকশন বদল করে, আথবা হয় রানিং না হয় র্স্টাটিং কয়েল বদল করে ঠিক করা যায়।
২৫। সিলিং ফ্যানের কোন দিকের বল বিয়ারিং সাধারনতঃ আগে খারাপ হয় ?
উ: উপরের বিয়ারিং খারাপ হয়।
২৬। সিলিং ফ্যান স্টার্ট দেওয়ার সংঙ্গে সংঙ্গে ইহার কানেকটিং রডে খট খট আওয়াজ হয়ে পরে আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?
উ: ইহার রডে রাবার বুশ নেই।
২৭। কোন মোটর এসি এবং ডিসি উভয় সাপ্লাই এ চলে ?
উ: ইউনিভার্সাল মোটর (ডিসি সিরিজ মোটর) ।
২৮। তিন ফেজ মোটর উল্টা ঘুরতেছে, কিভাবে ঠিক করবে ?
উ: ইহার যে কোন দুই ফেজের জায়গা বদল করে দিতে হবে।
২৯। তিন ফেজ ১০ ঘোড়া ইন্ডাকশন মোটর ফুল লোডে কত কারেন্ট নিবে ?
উ: ১৫ এম্পিয়ার (প্রতি ঘোড়া ১.৫ এম্পিয়ার হিসাবে)।
৩০। তিন ফেজ মোটর স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্টার্ট নেয় না গোঁ গোঁ শব্দ করে।
উ: (১) তিন ফেজের – কোন এক ফেজে সাপ্লাই নেই
(২) মেইন সুইচে কোন ফেজের ফিউজ নেই
(৩) মোটরের তিন ফেজ ওয়াইন্ডিং এর কোন ফেজ কাটা, সাপ্লাই পাচ্ছে না
(৪) বল বিয়ারিং খুব জ্যাম
(৫) মোটরের স্যাপ্ট বাঁকা হয়ে গিয়েছে।
৩১। চলন্ত অবস্থায় তিন ফেজ মোটরেরএক ফেজ চলে গেলেকি হবে ?
উ : যদি লোড বিহীন অবস্থায় থাকে তবে মোটর ঘুরতে থাকবে কিন্তু গরম হয়েযাবে এবং ভিন্ন রকম আওয়াজ করবে। আর যদি লোডেড অবস্থায় থাকে , তবে মোটরসঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাবে। যদি মেইন সুইচ অফ করে দেওয়া না হয়, তবে মোটরজ্বলে যাবে।
৩২। তিন ফেজ ২০ ঘোড়া মোটরের জন্য ক্রয়কৃত স্টার ডেল্টা স্টার্টার ১০ ঘোড়া তিন ফেজ মোটরের ব্যবহার করা যাবে কি ?
উ : হ্যাঁ, যাবে তবে কারেন্ট সেটিং এর মান কমিয়ে দিতে হবে।
৩৩। স্টার ডেল্টা স্টার্টারের ম্যাগনেটিক কয়েল কত ভোল্টেজ সাপ্লাই পায় ?
উ : সরাসরি ৪০০ ভোল্টসাপ্লাই পায়। (লাইন টু লাইন)
৩৪। একটি তিন ফেজ মোটরেরবডিতে টেস্ট বাতির এক মাথা সংযোগ করে অন্য মাথাসাপ্লাই এর সাথে সংযোগ করলে বাতি পূর্ণ ভাবে জ্বলে, ইহাতে কি বুঝা যায় ?
উ : মোটরের বডি ভাল ভাবে আর্থ করা হয়েছে।
৩৫। ইন্সুলেশন রেজিস্ট্যান্স কি মিটার দ্বারা মাপা হয় ?
উ : মেগার দ্বারা।
৩৬। আর্থ রেজিস্ট্যান্স কি ভাবে মাপা হয় ?
উ : মেগার আর্থ টেস্টারের সাহায্যে অথবামোটামুটি ভাবে একটি ১০০ওয়াটের বাতি আর্থ তার লাইনের মধ্যে সংযোগ করার পর যদি উজ্জ্বল ভাবে জ্বলে , তাহলে আর্থিং ভাল আছে।
৩৭। আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া বান্ছনীয় ?
উ : বাসাবাড়ীর জন্য বেশীর পক্ষে ৫ ওহম এবং সাব স্টেশন ও পাওয়ার লাইনের জন্য বেশীর পক্ষে ১ ওহম হওয়া দরকার।

৩৮। কোন ট্রান্সফরমারের কেবল মাত্র একটি কয়েল থাকে ?
উ : অটো ট্রান্সফরমার।
৩৯। এক ফেজ ট্রান্সফরমার দ্বারা তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায় কি ?
উ : হ্যাঁ যায়, ভি ভি বা ওপেন ডেল্টাকানেকশন করে।
৪০। ট্রান্সফরমার হামিং কি ?
উ : ট্রান্সফরমারের কোর এবং কয়েল কানেকশন যদি মজবুত ভাবে না করাথাকে, লুজ কানেকশন থাকে তাহলে ফুল লোড অবস্থায় কাঁপতে থাকে এবং এক প্রকারআওয়াজ হয়, তাহাই হামিং।
৪১। ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারন কি ?
উ : (১) ওভার লোড হওয়ার জন্য হতে পারে
(২) ইন্সুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে
(৩) কোথাও আর্থ হয়ে গেলে
(৪) ওভার ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ের জন্য।
৪২। সিলিকা জেলের স্বাভাবিক রং কি রূপ থাকে ?
উ : ভাল অবস্থায় ধব ধবে সাদা, কিন্তু জলীয় বাস্প গ্রহন করলে কিছুটা বাদামী রং এর হয়ে যায়,আবার উত্তাপ দিলে ইহা সাদা হয়ে যায়।
৪৩। ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি ?
উ : ইহার প্রধান কাজ দুটি- প্রথমত ইহা ইন্সুলেশনের কাজ করে, দ্বিতীয়ত ট্রান্সফরমারকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্যে করে।
৪৪। ব্রিদার কি ?
উ : ইহা ট্রান্সফরমারের কনজার্ভেটরের সহিত লাগানো থাকে, যার মাধ্যমেবাহির হতে ঠান্ডা বাতাস ফিল্টার হয়ে ট্যাংকে ঢুকে এবং গরম বাতাস ট্যাংক হতেবাহির হয়ে যায়।
৪৫। বুকল্স রিলে কি ?
উ : ইহা এক প্রকার রিলে যাহা ট্রান্সফরমারের ট্যাংক ও কনজার্ভেটরেরসংযোগকারী পাইপের মধ্যে বসানো থাকে এবং ট্রান্সফরমারের ভিতরেত্রুটি দেখাদিলে সর্তক ঘন্টা বাজিয়ে থাকে।
৪৬। গার্ড ওয়্যার কি ?
উ : ট্রান্সমিশন লাইনের নীচে ব্যবহ্নত তার, যাহা আর্থের সহিত সংযোগ থাকে।
৪৭। ব্যাটারীর সলিউশন তৈরির সময় এসিড পানিতে না পানি এসিডে মিশাতে হয় ?
উ : এসিড পানিতে মিশাতে হয়।
৪৮। জাম্পার কি ?
উ : মেইন লাইন হতে বাসা বাড়ীতে সাপ্লাই লাইনের সংযোগ রক্ষাকারী তার।
৪৯। ডেম্পার ওয়্যাইন্ডিং কি ?
উ : সিনক্রোনাস মোটরকে র্স্টাট দেওয়ার জন্য ইহার পোলের উপর মোটাতারের ওয়্যাইন্ডিং দেওয়া হয় এবং ইহা অল্টারনেটরে ও ব্যবহ্নত হয় হান্টিং দোষকমানোর জন্য।
৫০। সি.বিকি ?
উ : সার্কিট ব্রেকার যাহা ক্রটি পূর্ণলাইনকে আপনা আপনি র্সোস হতে বিচ্ছিন্ন করে।
৫১। এ.সি কেডি.সি এবং ডি.সিকেএ.সিকি ভাবে করা হয় ?
উ :এ.সি কে ডি.সি করা হয় রেকটিফায়ার ও রোটারী কনভার্টার দ্বারা এবং ডি.সি কে এ.সি করা হয় ইনভার্টার দ্বারা।

Learn Professional AutoCAD 2D & 3D Course Only 7000 BDT

Contact Us for more information:
#CADD_BANGLADESH
Head Office: House # 04(4th floor) ,
Road # 01, Sector # 10Uttara,
Dhaka-1230, Bangladesh.
Hotline: 01630333666

একটি বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ ক্রমানুসারে দেওয়া হলো ।

একটি বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ ক্রমানুসারে দেওয়া হলো ।

ক) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ
পর্যায় ১- সরঞ্জাম সন্নিবেশ বা সাইট মোবিলাইজেশন
পর্যায় ২- ভূমি জরিপ ও ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা
পর্যায় ৩-আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল নকশা চুড়ান্ত করা।
পর্যায় ৪- ভবনের লে-আউট ও লেভেল দেয়া
পর্যায় ৫- পাইলিং করা (যদি প্রয়োজন হয়) ও মাটি কাটা
পর্যায় ৬- ফাউন্ডেশনের নিচে ব্লাইন্ড বা লীন কংক্রীট ঢালাই ও ইটের সোলিং করা
পর্যায় ৭-ফাউন্ডেশন ঢালাই
পর্যায় ৮-কলাম ঢালাই
পর্যায় ৯-বীম ও ছাদ ঢালাই
পর্যায় ১০-মেঝেতে ইটের লে-আউট দেয়া
পর্যায় ১১-ইটের গাঁথুনী করা

খ-সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ
পর্যায় ১- দরজার চৌকাঠ লাগানো
পর্যায় ২- জানালার গ্রীল লাগানো
পর্যায় ৩-বাথরূম ও কিচেন সহ ছাদের বাগানের স্যানিটারী ও প্লাম্বিং এর সব ধরণের পাইপ ফিটিং করা
পর্যায় ৪-বৈদ্যুতিক সুইচবোর্ডের দেওয়ালের ভিতরের অংশ লাগানো
পর্যায় ৫- ভিতরের প্লাষ্টার করা
পর্যায় ৬- বাইরের দিকের প্লাষ্টার করা
পর্যায় ৭-কিচেন ও বাথরূমের বেসিন বা সিঙ্কের স্ল্যাব ঢালাই ও কনসিল অংশ লাগানো
পর্যায় ৮-থাই-এলুমিনিইয়াম জানালা বা দরজা লাগানো (গ্লাস সহ)
পর্যায় ৯- বাথরূম ও কিচেনের দেওয়ালের টাইলস লাগানো
পর্যায় ১০- সিলিং রং এর ১ম কোট দেয়া (সিলার বা পুটি সহ)
পর্যায় ১১- ঘরের ভিতরে বা বাইরে মেঝেতে ও সিড়িতে বা লিফটের দেওয়ালে টাইলস বা মার্বেল লাগানো
পর্যায় ১২- বৈদ্যুতিক তার টানা
পর্যায় ১৩- বাইরের ও ভিতরের দেওয়ালের রং এর ১ম কোট দেয়া
পর্যায় ১৪- দরজার পাল্লা ফিটিং করা
পর্যায় ১৫- বাথরূম ও কিচেনের ফিটিংস লাগানো
পর্যায় ১৬- বৈদ্যুতিক সুইচ বা সকেট লাগানো
পর্যায় ১৭-টাইলসের পয়েন্টিং করা
পর্যায় ১৮-ছাদের উপরের বাগান মাটি ভরা ও সুইমিং পুলের টাইলস লাগনো
পর্যায় ১৯-বেজমেন্ট বা ছাদের উপর পেটেন স্টোন করা
পর্যায় ২০-কাঠের বার্নিশ ও দেওয়ালের চুড়ান্ত রং করা।

Learn Professional AutoCAD 2D & 3D Course Only 7000 BDT

Contact Us for more information:
#CADD_BANGLADESH
Head Office: House # 04(4th floor) ,
Road # 01, Sector # 10Uttara,
Dhaka-1230, Bangladesh.
Hotline: 01630333666

Monday, September 11, 2017

3d Studio Max

3d Studio Max কি ?

3d Studio Max হচ্ছে ত্রিমাত্রিক গ্রাফিক্স তৈরির সবচাইতে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যাবহ্রিত সফটওয়্যার। বলা হয়ে থাকে আপনি যদি কিছু কল্পনা করতে পারেন , ত সেটা আপনি গ্রাফিকালি তৈরি করতে পারবেন 3d studio max সফটওয়্যার এর মধ্যে। এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি যে কোনও জিনিসের ত্রিমাত্রিক রুপ দিতে পারবেন যাকে আমরা থ্রি ডি ম্যাক্স এর ভাষায় মডেলিং বলে থাকি। হোক না সে কোন মানুষের মডেল , প্রকৃতি , বা কোন জড় পদার্থ , 3D Studio Max এ আপনি সেই বস্তুটির মডেল তৈরি করতে পারবেন খুব সহজেই।

তারপর সেই ত্রিমাত্রিক অবয়ব টাকে আপনি আপনার ইচ্ছামত রঙ ব্যাবহার করে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন আর নিয়ে আসতে পারেন বাস্তবের কাছাকাছি, ম্যাক্স এর ভাষায় এটার নাম মেটেরিয়াল বা টেক্সচারিং। শুধু তাই না সেই তৈরি করা মডেল টি কে আপনি প্রানবন্ত করে তুলতে পারেন বিভিন্ন মুভমেন্ট এর মাধ্যমে যাকে আমরা বলি এনিমেশন। আর সর্বশেষে আপনি খেলতে পারেন আলো আর ছায়া নিয়ে যা দিবে আপনার কল্পনার চূড়ান্ত অবয়ব আর একি সাথে তাক লাগিয়ে দিতে পারেন সবাইকে।

3d Studio Max কোথায় কোথায় ব্যাবহার করা যায় ?

কোথায় হয় না থ্রি ডি ম্যাক্স এর ব্যাবহার , মিডিয়ার প্রতিটি ক্ষেত্রেই এর অপরিহার্যতা। মুভি , আডভারটাইজিং , প্রিন্ট , গেম ডিজাইন , আর্কিটেকচার সবখানেই 3D Studio Max কার্যকারিতা অসামান্য । আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটেও 3d Studio Max এর ব্যাবহার অনেক ব্যাপক। মুটামুটি স্কিল আয়ত্ত করতে পারলে আপনি দেশেরই অনেক ধরনের কাজ করতে পারবেন। সব ধরনের মিডিয়াতে থ্রি ডি ম্যাক্স জানা তা এখন অনেকটা বাধ্যতামুলক হয়ে গেছে। আজকাল ত এডভারটাইজমেন্ট এর যুগ , আর বেশিরভাগ মানসম্মত এড তৈরি করতে হলে ভাল একটা থ্রি ডি আপ্লিকেশন এর সাহায্য ছাড়া অকল্পনিয়। সিভিল বা আরকিটেকচার ফার্ম এর সাথে সম্পর্কিত যারা আছেন তাদের জানেন ম্যাক্স জানা আপনার উপার্জন কে কত গুন বারিয়ে দেয় ! আর দেশের বাইরের কাজ ও আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে করতে পারেন যদি ভাল স্কিল থাকে। আসলে 3d Studio Max এমন একটি সফটওয়্যার যার সম্ভাবনা অপার , আপনার ক্রিয়েটিভিটি কে শানিত করতে এর থেকে ভাল কিছুই হতে পারে না।

3D Studio Max ই কেন ?
থ্রি ডি গ্রাফিক্স শেখার জনে কিন্তু 3D Studio Max ই একমাত্র সফটওয়্যার পেকেজ না। আর অনেক অসাধারন সফটওয়্যার আজকাল আছে যা দিয়ে আপনি একি কাজ করতে পারবেন। যেমন Maya , Cinema 4D , Softimage Xsi ইত্যাদি। কোনটা সিখবেন সেটা আপনার ব্যাক্তিগত বেপার কিন্তু 3D Studio Max এর শেখার পেছনে বড় কারন হল এর বিশাল সংখ্যক ব্যাবহারকারি আর রিসোর্স। আপনি চাইলেই 3D Studio Max এর যে কোনও বেপার ইন্টারনেট থেকে জানতে পারবেন , 3D Studio Max এর জন্যে তৈরি অনেক কিছুই আপনি রেডিমেড পেয়ে যাবেন যা অন্যান্য প্যাকেজ গুলোতে পাবেন না। আর সবচাইতে বড় বেপার তা হল 3D Studio Max এর মত বড় প্লাগইন এর কালেকশন আর কুনো প্যাকেজ এ নাই। প্লাগ ইন হল কুনো সফটওয়্যার এর থার্ড পার্টি টুল যা আপনার কাজ কে অনেক সহজ করে দেয়।

কিরকম কম্পিউটার লাগবে ?
3D Studio Max শিখতে হলে আপনাকে সুপার কম্পুটার লাগবে না। আমি আদ্দি কালের সেলেরন প্রসেসর এর পিসি তেও ম্যাক্স ইউস করেছি। তবে সেটা শুধু শেখার জন্যে অবশ্যই , প্রডাকশন এর জন্যে আপনার পিসি যত শক্তিশালি হয় তত ভাল। যত ভাল পিসি তত আরাম পাবেন ইউস করে। 3D Studio Max এর জন্যে সবচাইতে প্রয়োজনীয় হল প্রসেসর আর ব্যাম। ওই দুটা যত বেশি হয় তত ভাল। আপনি যদি নতুন পিসি কিনতে জান তাহলে বলব নুন্যতম core i3 প্রসেসর আর 4 gigabyte RAM যাতে থাকে আপনার পি সি তে। core i5 বা core i7 হলে সোনায় সোহাগা। র‍্যাম এর দাম কমে গেছে আর হাই কোয়ালিটির কাজ করতে অনেক র‍্যাম লাগে। তাই আপনি যদি ম্যাক্স এর ইউসার হন তবে বেশি র‍্যাম কিনে আপনি কোনদিন ও পচতাবেন না। আরেকটা জিনিশ একটু ভাল হলে বেটার হয় সেতা হল গ্রাফিক্স কার্ড। নতুন পিসি যদি কিনতে জান তাহলে ১ গিগা ভির‍্যাম সম্পন্ন কার্ড কিনুন। আর প্রফেশনাল কাজ করতে চাইলে আপনাকে ভাল চিপসেট এর গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে হবে।

আপনার পিসি টি যদি পুরাতন হয় , কুনোই টেনশন নাই , শিখতে হলে খুব সাধারন পিসি ই যথেষ্ট। পেন্টিয়াম ৪ , সেলেরন , ডুয়েল কোর ইত্যাদি সব পিসি তেই ব্যাবহার করতে পারবেন। এমনকি ল্যাপটপ এও ব্যাবহার করতে পারবেন 3D Studio Max ।

তবে একটা ব্যাপার , আপনার মনিটর যত বড় হয় তত সুবিধা। নুন্যতম ১৭ ইঞ্চি মনিটর না হলে আপনি কাজ করতে পারবেন না। নতুন পিসি কিনতে গেলে বলব ২০" থেকে ২৬" , আপনার বাজেট অনুসারে কিনে ফেলুন একটা এল সি ডি মনিটর। আর একটা জিনিস আপনাকে ভাল কিনতেই হবে সেটা হল একটা ভাল মাউস। আমি A4tech কোম্পানির Glaser seris এর মাউস গুলা ব্যাবহার করি , অসাধারন মাউস। ৫০০-৬০০ টাকার মত হবে দাম। 

এখন বলেন 3D Studio Max পাব কোথায় ? কোন ভার্সন ব্যাবহার করব ?
আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে আমাদের এত দাম দিয়ে সফটওয়্যার কেনার সামর্থ্য থাকে না। তবে সাধ্য থাকলে সফটওয়্যার কিনে ব্যাবহার করা উচিত। ইতিমধ্যেই অনেকেই Autodesk 3ds max 2018
সফটওয়্যার ব্যাবহার করছেন ।

ডাউনলোড লিঙ্ক 
Download 3ds Max 2018 | Free Trial | Autodesk
https://www.autodesk.co.uk/products/3ds-max/free-trial

3D Studio Max 2018 FULL
http://sharkdownloads.com/3dgraphics/autodesk-3ds-max-2018-full-version-crack2/

আরো কিছু সফটওয়্যার ডাউনলোড লিঙ্ক দিলাম আশাকরি কাজে আসবে l 

Torrent SITE
Autodesk AutoCAD 2017
http://www.01torrent.net/application/autodesk-autocad-2017-x64-keygen/45944/

Autodesk AutoCAD 2018
http://www.01torrent.net/application/autodesk-autocad-2018-x86x64-incl-keygen/52968/

Autodesk AutoCAD Civil 3D 2018
http://www.01torrent.net/application/autodesk-autocad-civil-3d-2018-x64-iso-keygen/55835/

Autodesk AutoCAD 2016
http://www.01torrent.net/application/autodesk-autocad-2016-sp1-x64-x86-incl-keygen/30051/

Autodesk এর সাইট এ সেটা ফ্রি নামাতে পারবেন।
তবে যাদের পিসি একটু পুরাতন আর ১ গিগা ভি র‍্যাম সম্পন্য গ্রাফিক্স কার্ড নাই তাদের Autodesk 3ds max 2018 টা কালেক্ট না করার পরামর্শ দিচ্ছি । আপনাদেরকে Autodesk 3ds max 2010/2012 কালেক্ট করতে বলব।

আপনি ইন্সটল করতে বা যে কোন সমস্যা হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন আমরা হেল্প করবো |

গুরুত্বপূর্ণ শেষ কথা:
এখন আসেন আসল কথায়....
কোথায় শিখবেন 3D Studio Max???

যখনি বলি ভাই ইন্টারনেট এ অনেক অনেক টিউটোরিয়াল আছে সব বিষয়ের এর উপরই তখন এ বেশিরভাগ এর ই কমপ্লেইন যে ইংরেজি টিউটোরিয়াল বুঝতে সমস্যা হয়। আর বুঝতে সমস্যা হলে ওই জিনিস্টার প্রতি ইন্টারেস্ট থাকে না।

আর আমাদের দেশে অনেক ট্রেনিং সেন্টার আছে কিন্তু গুনগত ভালো মানের ট্রেনিং সেন্টার খুবই নগণ্য ..হাতেগুণা ।

যে প্রতিষ্ঠান আপনাকে সম্পূর্ণ কোর্স সঠিক ভাবে আপনার ডিপার্টমেন্ট অনুসারে ফুল প্রাক্টিক্যাল প্রজেক্টস সহ করাবে তার কাছেই আপনি শিখতে পারেন I

ক্যাড বাংলাদেশ সম্পর্কে কিছু কথা :
ক্যাড বাংলাদেশ হল বাংলাদেশী CAD Learning Institute.
আপনার প্রয়োজনীয় CAD,CAM,CAE Software গুলো আমরা খুব যত্ন সহকারে Training এবং professionally কাজ করার গ্যারান্টি দিয়ে থাকি। আমাদের আছে প্রফেশনাল ট্রেইনার, আর ও আছে Attractive কারিকুলাম। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আমরা Update Software Training দিয়ে থাকি। আছে Practice and Problem Solving এর জন্য Extra Class এর সুবিধা। সকল Students দের Project দেখানো হয় এবং Project Assignment দেয়া হয়। মেকানিক্যালদের জন্য আছে Industry Based CAD Drawing। ইলেক্ট্রিক্যালদের জন্য আছে Syllabus for Drawing Electrical Equipment. সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দের জন্য আছে সাইট ডিজাইন, স্ট্রাকচারাল ডিজাইন, কস্টিং ক্যালকুলেশন। আর্কিটেক্ট দের জন্য বিশেষ আকর্ষন হলো রিয়েল ভিউ তৈরী করা ইন্টেরিয়র ডিজাইন এর। সকল ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারদের একটিই ঠিকানা, ক্যাড বাংলাদেশ 
পথ ধরে হেটে যাওয়ারই যদি সাহস না করি তবে পথের শেষটা যে কখনই দেখা হবে না। চাঁদের আলো দেখতে হলে যে জানালা খুলে বাইরে তাকাতেই হবে, আমাবস্যা কিনা তার ভয় হলে যে কখনই জ্যোৎস্না দেখা হবে না। 
So, be positive and work consistently, love the people and let them go who don't want to come with u. Almighty always with us.

আমাদের পোস্ট ভালো লাগলে শেয়ার/কমেন্ট করুন বা পোস্ট সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন I
আমাদের পাশে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ I

পোস্ট টি লিখেছেন : DH Imran ( CAD Engineer, CADD BANGLADESH)

যোগাযোগের জন্য ঠিকানাঃ
বাড়ি # ০৪ (ফ্ল্যাট – A৫), রোড # ০১, সেক্টর # ১০
উত্তরা মডেল টাউন , ঢাকা - ১২৩০
ফোনঃ ০১৬৩০৩৩৩৬৬৬
ইমেইলঃ info@caddbd.com

অটোক্যাড শিখুন ,ক্যারিয়ার গড়ুন । নিজেই হয়ে উঠুন অটোক্যাডের মাস্টার I

অটোক্যাড শিখুন ,ক্যারিয়ার গড়ুন । নিজেই হয়ে উঠুন অটোক্যাডের মাস্টার I
অটোক্যাড এখন প্রকৌশলীদের জন্য অত্যাবশ্যক একটা কাজের সফটওয়্যার।চাকরির বাজারে যেমন কাইসিস তার মধ্যে আবার চাকরি দাতাদের নতুন নতুন চাহিদা তো থাকছেই।আগে ইঞ্জিনিয়ার হলেই চলত,এখন আবার বিভিন্ন কাজে পারদর্শী হতে হয়।তার মাঝে অটোক্যাড এ কাজ জানা অন্যতম।সুধু কাজ জানলেই হবে না এক্সপার্ট হতে হবে।অনেকে আছে সময়ের অভাবে কাজ শিখতে পারে নাই কিংবা অনেকে আবার টাকার জন্য পিছিয়ে পড়েছে অটোক্যাড শেখা থেকে।অটোক্যাড না শিখে চাকরিতে জয়েন করলে বেতন কেমন দেয় তা যারা চাকরি করছে তারাই ভাল জানেন,শুধুমাত্র এই একটি সফটয়্যারে এক্সপার্ট হতে পারলে চাকরির বাজারে আপনি অন্তত একধাপ এগিয়ে থাকবেন।

অটোক্যাড কি?
অটোক্যাড একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন সফটওয়্যার। এটিতে 2D drafting ও 3D modeling সহজে করা যায়।
অটোক্যাড কেন দরকার?
বিশ্বে বর্তমানে বড় বড় বিভিন্ন স্থাপনা বা মেশিনের ডিজাইন কম্পিউটারের মাধ্যমে করা হয় এবং সে অনুযায়ী বানানো হয়। কিন্তু পুর্বে কাগজে এসব ডিজাইন করতে হত, যা ভুল হলে আবার মুছে করাটা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। অটোক্যাড সেটি সহজ করে দিয়েছে। ডিজাইন ও ইন্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে যে কোনো নিখুঁত বিষয় অটোক্যাড 2D ও 3D ব্যবহার করে যাচাই করে নেওয়া হয়, যার ফলে সময়, শ্রম ও অর্থের সাশ্রয় হয়।
অটোক্যাড শিখে আমি কি করতে পারব?
সিভিল, মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল, আর্কিটেকচার এর বিভিন্ন ডিজাইন অটোক্যাড এর মাধ্যমে করা যায়। এ কোর্সটি করার পর আপনি অটোক্যাডের মাধ্যমে যেকোনো বিল্ডিং, ফার্নিচার, ইলেকট্রিক্যাল ড্রইং, মেশিন ইত্যাদির 3Dমডেল আঁকতে সক্ষম হবেন এবং অনুশীলন করলে কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা চলে আসবে।

কাদের জন্য এই কোর্স?
যারা অটোক্যাড শেখার জন্য ভাল কোন ট্রেইনিং সেন্টার পাচ্ছেন না তাদের জন্য CADD Bangladesh নিয়ে এলো অটোক্যাড শেখার দারুন একটি কোর্স “Master of AutoCAD 2D & 3D”।
কোর্সটি আমি কিভাবে করতে পারব?
অটো ক্যাড এর মাধ্যমে
আপনাকে দক্ষ ও ডিজাইন, ড্রয়িং এ পারদর্শী প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে, আমরা আমাদের সুদক্ষ ট্রেনিং প্রাপ্ত প্রকৌশলী এবং প্রফেশনালস দ্বারা আপনার জন্য সম্পূর্ন বাস্তবমুখি প্রশিক্ষন প্রদান করছি এবং প্রশিক্ষনের সাথে শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে সফলতার জন্য সহযোগীতা করে থাকি। যা অবশ্যই আপনাকে দক্ষ ডিজাইন, ড্রয়িং প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে তুলতে আসাধারণ ভূমিকা রাখবে।

নতুন ব্যচ : 10/09/2017
রেগুলার ব্যাচের ক্লাশ সপ্তাহে ৩ দিন সন্ধা
শুক্রবার ব্যাচ: জব হোল্ডার দের জন্য ক্লাশ সপ্তাহে একদিন শুধুমাত্র শুক্রবারে, সকাল ৯টা থেকে রাত ৯ টা।

আর সময় নষ্ট না করে সফটওয়্যার টি শিখে নিন আমাদের ক্যাড এক্সপার্ট দের কাছথেকে
এ সম্পর্কে আর ও বিস্তারিত যানতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।

যোগাযোগের জন্য ঠিকানাঃ
বাড়ি # ০৪ রোড # - ০১, সেক্টর # ১০
উত্তরা মডেল টাউন , ঢাকা - ১২৩০
হটলাইন : ০১৬৩০৩৩৩৬৬৬
আল্লাহ হাফেজ।